• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
Headline
এক্তিয়ারপুর ৮২ নং উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পীরজাদা মাহমুদুর রহমান শাহ আলম। বড়লেখার সাংবাদিক নুরুল ওয়াহিদ স্পেনের জাতীয় নির্বাচনে PSOE’র প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায়। মৌলভীবাজারে ৪ মাসের শিশুকে অপহরণের চেষ্টা: স্থানীয় জনতার হাতে ১ নারীসহ ৩ জন আটক। বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৭। হবিগঞ্জে গুলিসহ পিস্তল উদ্বার। আজমিরীগঞ্জে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পরিদর্শনে বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন। সাবধান! সালাম ট্রাভেলস সলিউশনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা নিয়ে লাওসে পলাতক আব্দুস সালাম। বড়লেখার জহরত আদিব চৌধুরী আইপিইউ নির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত। বড়লেখার দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত। সাংবাদিকের ওপর ওসির হামলার অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
Notice :

"টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨"

হবিগঞ্জের মাধবপুরে যৌতুকের দায়ে গৃহবধূ তাহমিনাকে হত্যার অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে স্বামী-শাশুড়িসহ সবাই পলাতক

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:  হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় স্বামীর বাড়ি থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের সময় বাড়িতে তার স্বামী, শাশুড়িসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে তার স্বামী ও স্বজনদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের বাঘাসুরা গ্রামের তাহির মিয়ার বসতঘরের বিছানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ওই গৃহবধূর নাম তাহমিনা আক্তার (২৫)। তিনি একই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের রামেশ্বর গ্রামের ওসমান মিয়ার মেয়ে। সাত বছর আগে বাঘাসুরা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে তাহির মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে।

নিহতের বাবা ওসমান মিয়া অভিযোগ করেছেন, বিদেশে যাওয়ার জন্য তার মেয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে টাকা দাবি করছিলেন তাহমিনার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা। টাকা দিতে না পারায় তাহমিনার ওপর নির্যাতন চালানো হতো। প্রায় তিন মাস আগে টাকার বিষয় নিয়ে তাহমিনাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল।

এরপরও বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধর করা হয়। সর্বশেষ টাকা না দেওয়ায় স্বামী, শাশুড়ি ও পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তাহমিনার ভাই আলমগীর মিয়া জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে ভাতিজার মোবাইল ফোন থেকে কল করে জানানো হয়, তাহমিনা অসুস্থ। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি বোনকে বিছানায় মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তখন বাড়িতে স্বামী, শাশুড়িসহ পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।

নিহতের চাচাতো ভাই আনুব আলী জানান, প্রায় তিন মাস আগেও তাহমিনাকে মারধর করা হয়েছিল। এ সময় তার ভাসুরের স্ত্রী তাকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। কিছুদিন আগে স্বামী তাকে আবার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে আসেন।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category