• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
মৌলভীবাজারে ৪ মাসের শিশুকে অপহরণের চেষ্টা: স্থানীয় জনতার হাতে ১ নারীসহ ৩ জন আটক। বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৭। হবিগঞ্জে গুলিসহ পিস্তল উদ্বার। আজমিরীগঞ্জে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পরিদর্শনে বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন। সাবধান! সালাম ট্রাভেলস সলিউশনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা নিয়ে লাওসে পলাতক আব্দুস সালাম। বড়লেখার জহরত আদিব চৌধুরী আইপিইউ নির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত। বড়লেখার দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত। সাংবাদিকের ওপর ওসির হামলার অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন বড়লেখায় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নিসচার সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন। সীমান্তে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু জব্দ।
Notice :

"টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨"

নারীবাজি ও দালালিই মূল কাজ, আ’লীগ নেতা বেটি ফারুক এখন মানবাধিকার কর্মী!

Reporter Name / ২৩৪ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি, চুনারুঘাট:   মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অসহায় নারীদের যৌন হয়রানি, পুলিশ প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে মামলা বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের (আসাফো) চুনারুঘাট উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক মিয়ার বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজের অপরাধ ঢাকতে এবং ফ্যাসিস্ট আমলের পদ-পদবি আড়াল করতে বর্তমানে তিনি খোলস বদলে নিজেকে বিএনপির লোক দাবি করছেন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও ফারুক মিয়া বর্তমানে মানবাধিকার চুনারুঘাট এর সাধারণ সম্পাদক ও সংবাদকর্মী পরিচয়ে থানা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চুনারুঘাট থানা গেট এলাকায় আস্তানা গেড়ে তিনি গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল মানুষকে আইনি সহায়তার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। আইনি সহায়তার নামে জিম্মি করার পাশাপাশি জমি কেনাবেচা ও বাসা ভাড়ার দালালিই তার মূল পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় মানবাধিকার ও সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে মামলা বাণিজ্য এবং নারীবাজি চালিয়ে গেছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, অসহায় নারীদের চাকরির প্রলোভন ও বিদেশে পাঠানোর কথা বলে নিয়মিত অনৈতিক প্রস্তাব এবং যৌন হয়রানি করে আসছিলেন ফারুক। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য এলাকায় সে ‘বেটি ফারুক’ নামে কুখ্যাতি অর্জন করেছে।

সম্প্রতি থানা এলাকায় তার দালালির বিষয়টি চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের নজরে আসলে তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং ভবিষ্যতে এমন অপকর্ম থেকে বিরত থাকার কড়া বার্তা দেওয়া হয়। এর আগে গত ৫ই আগস্টের পর জনৈক এক নারীকে নিয়ে সেনা ক্যাম্পে দালালি করতে গেলে সেনাবাহিনী তাকে আটকে রাখে। পরবর্তীতে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মুচলেকা এবং সুপারিশে সে মুক্তি পায়।

সম্প্রতি ওসি কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়া এবং তার নানা অপকর্মের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিজের অপরাধ ঢাকতে মারমুখী ও মরিয়া হয়ে উঠেছে এই আওয়ামী সমর্থক। তিনি প্রকৃতপক্ষে মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক নাকি আওয়ামী লীগ নেতা- এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

ফারুক মিয়ার রাজনৈতিক খোলস বদল, অপকর্ম এবং মানবাধিকার ও সংবাদকর্মী পরিচয়ের আড়ালে থাকা বিভিন্ন অপরাধমূলক কাণ্ড নিয়ে তথ্য-প্রমাণসহ ধারাবাহিকভাবে আরও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে… চলবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category