• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
Headline
মৌলভীবাজারে ৪ মাসের শিশুকে অপহরণের চেষ্টা: স্থানীয় জনতার হাতে ১ নারীসহ ৩ জন আটক। বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৭। হবিগঞ্জে গুলিসহ পিস্তল উদ্বার। আজমিরীগঞ্জে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পরিদর্শনে বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন। সাবধান! সালাম ট্রাভেলস সলিউশনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা নিয়ে লাওসে পলাতক আব্দুস সালাম। বড়লেখার জহরত আদিব চৌধুরী আইপিইউ নির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত। বড়লেখার দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত। সাংবাদিকের ওপর ওসির হামলার অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন বড়লেখায় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নিসচার সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন। সীমান্তে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু জব্দ।
Notice :

"টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨"

নদীভাঙনের ক্ষত শুকায়নি, শাল্লায় চলছে বালু উত্তোলন: এলাকাবাসীর ক্ষোভ। ,

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

জেসমিন আকাতার, শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার একদিকে তীব্র নদীভাঙনে গ্রাম বিলীন হওয়ার আশঙ্কা, অন্যদিকে নদী থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো বালু উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সরেজমিনে শাল্লা উপজেলার ফয়জুল্লাহপুর, বিষ্ণুপুর, প্রতাপপুর বাজার ও শাল্লাগ্রাম এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীভাঙনের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে প্রতাপপুর বাজার সংলগ্ন নদীতে কয়েকটি বড় স্টিল বোট থেকে বালু উত্তোলনের কার্যক্রম চলতে দেখা যায়।

বালুবাহী নৌকার শ্রমিকদের কাছে বালুর উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান, বালু উজান থেকে আনা হয়েছে। কারা এই বালু সরবরাহ করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারা নোয়াগাঁও এলাকার শাহীন মিয়ার নাম উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের বালু।

এ বিষয়ে জানতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ওবায়দুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অপরদিকে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, আমি এখনই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। তারা কোথা থেকে বালু আনছে এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হলে সেটি কেন হচ্ছে, তা তদন্ত করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীভাঙনে ইতোমধ্যে অনেক বাড়িঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আবার নদী থেকে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে অবশিষ্ট এলাকাও টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

একাধিক বাসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category