• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline
হবিগঞ্জে গুলিসহ পিস্তল উদ্বার। আজমিরীগঞ্জে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পরিদর্শনে বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন। সাবধান! সালাম ট্রাভেলস সলিউশনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ, টাকা নিয়ে লাওসে পলাতক আব্দুস সালাম। বড়লেখার জহরত আদিব চৌধুরী আইপিইউ নির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত। বড়লেখার দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত। সাংবাদিকের ওপর ওসির হামলার অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন বড়লেখায় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নিসচার সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন। সীমান্তে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু জব্দ। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬নং ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান। কাইয়ুমপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে গড়ার অঙ্গীকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রামিম বাদশা জুয়েলের।
Notice :

"টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨"

হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে ছাত্রদলের দুই প্যানেলের সংঘর্ষ, কমনরুম-টিভি নিয়ে দ্বন্দ্ব, আহত ১০। 

Reporter Name / ৭০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক (হবিগঞ্জ): কমনরুমের চাবি ও টেলিভিশন দেখা নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে জেলা ছাত্রদলের দুই প্যানেলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

গত বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ দিবাগত রাত ২টার দিকে শহরের অনন্তপুর আবাসিক এলাকায় অবস্থিত কলেজের হোস্টেলে এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে জড়ান জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, রাজিবুর রহমান রিংগন প্যানেল এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুব প্যানেলের সমর্থক শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে হোস্টেলের কমনরুম খোলা এবং টিভি দেখাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী নাফিজ ও আশিষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

মুহূর্তের মধ্যেই এই বিরোধ দুই প্যানেলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীরা *লোহার রড, ক্রিকেট স্টাম্পসহ* বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হন।

সংঘর্ষে নাফিজ, আশিষ, তাসরিফ আহমেদ, শরীফ উদ্দিন, রায়হান রাজ, সানি ও ফারদিন ইফতিসহ প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থী গুরুতর ও সাধারণ আঘাত পান।

ঘটনার পরপরই অন্যান্য শিক্ষার্থীরা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে* নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় গুরুতর আহত এক ছাত্রদল নেতাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি *জাহিদুল হক* গণমাধ্যমকে জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘটনার পর পুরো হোস্টেল চত্বরে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category